বৈবাহিক ধর্ষণ কি অপরাধ?
প্রশ্নটা সবাইকে করলাম এবং একটা সংবাদ পত্র থেকে কপি করে একটা সমীক্ষা পোস্ট করলাম। দয়া করে সবাই পরবেন এবং মতামত দেবেন।
আমি প্রত্যেক রাতে ঘরে ঢোকার আগে বাইরে দাঁড়িয়ে ভয়ে কাঁপতাম। আমি জানতাম ভিতরে আমার জন্য কী অপেক্ষা করে রয়েছে।' ২৭ বছরের নেহা-র (নাম পরিবর্তিত) এমনটাই বক্তব্য। গত ৪ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনই ছিল তাঁর সঙ্গী। নেহা বলেন, 'আমাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী সুলভ কোনও ব্যাপারই ছিল না। আমার মনে হত ও যেন আমায় কিনে এনেছে। আমার সঙ্গে পশুর থেকেও অধম ব্যবহার করত। যেন আমি একটা সেক্স টয়। প্রতিদিন সেক্সের সময় মারধর করত। এমনকী আমার পিরিয়ডের দিনগুলিতেও রেহাই পেতাম না আমি।'
আমি প্রত্যেক রাতে ঘরে ঢোকার আগে বাইরে দাঁড়িয়ে ভয়ে কাঁপতাম। আমি জানতাম ভিতরে আমার জন্য কী অপেক্ষা করে রয়েছে।' ২৭ বছরের নেহা-র (নাম পরিবর্তিত) এমনটাই বক্তব্য। গত ৪ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনই ছিল তাঁর সঙ্গী। নেহা বলেন, 'আমাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী সুলভ কোনও ব্যাপারই ছিল না। আমার মনে হত ও যেন আমায় কিনে এনেছে। আমার সঙ্গে পশুর থেকেও অধম ব্যবহার করত। যেন আমি একটা সেক্স টয়। প্রতিদিন সেক্সের সময় মারধর করত। এমনকী আমার পিরিয়ডের দিনগুলিতেও রেহাই পেতাম না আমি।'
এটাই চিত্র।
সামগ্রিকভাবে নেহা-র অভিজ্ঞতা প্রচুর বিবাহিত মহিলারই হয়েছে। ভারতে বিয়ের
পর ধর্ষণের বিষয়ে যে এখনও বহু যোজন পিছিয়ে রয়েছে সেটার সব থেকে বড় প্রমাণ
নেহা এবং তাঁর মতো কোটি কোটি মহিলা। এটাই শেষ নয়। প্রায় মৃত্যুর মুখ
পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন নেহা। গত বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বামীর জন্মদিনে
সেক্স করার সময় তাঁর যৌনাঙ্গে একটি টর্চ ঢুকিয়ে দেয়। অসহ্য যন্ত্রণায় প্রায়
অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন নেহা। জ্ঞান হওয়ার দেখেন তাঁকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখা
হয়েছে, তখন যৌনাঙ্গ থেকে রক্তপাত বন্ধ হয়নি। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে
শ্বশুড়-শাশুড়ি তাঁকে নিয়ে যান হাসপাতালে। ৬০ দিন ক্রমাগত রক্তপাত হয়েছিল
নেহা-র।
তিনি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, যাতে বৈবাহিক ধর্ষণ-কে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সে সব কিছুই হয়নি। নেহা একা এই ব্যবস্থাকে পাল্টাতে পারেননি। কিন্তু বাকিদের কী মত? পরিসংখ্যান দেখলে খানিকটা হতাশই হতে হবে। ভারতে এখনও ১০ জনের মধ্যে প্রতি ৯ জন মহিলা মনে করেন স্বামীর কথা বেদবাক্য মনে করেন। প্রায় ৬৫ শতাংশ মহিলা মনে করেন, গায়ে হাত তোলাও স্বামীর অধিকারের মধ্যে পড়ে। তিন জনের মধ্যে ২ জন পুরুষের বক্তব্য, স্বামী যখনই চাইবেন, স্ত্রীকে তখনই শারীরিক মিলনের জন্য রাজি হতে হবে। এমনকী তাঁরা এও মনে করেন, স্বামীর অনুমতি ছাড়া গর্ভনিরোধক ব্যবহার করতে পারবেন না স্ত্রী-রা।
এই যদি সামগ্রিক চিত্র হয়, তবে যেমনটা হওয়ার তেমনই হচ্ছে। বৈবাহিক ধর্ষণের মাত্র এক শতাংশ অভিযোগ থানায় এসে জমা পড়ে। তার মধ্যে অনেকেরই কোনও শাস্তি হয় না। ফলে অন্ধকারের চিত্রটা আরও কালো হচ্ছে প্রতিদিন।
জানি না এসব কবে বন্ধ হবে!
তিনি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, যাতে বৈবাহিক ধর্ষণ-কে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সে সব কিছুই হয়নি। নেহা একা এই ব্যবস্থাকে পাল্টাতে পারেননি। কিন্তু বাকিদের কী মত? পরিসংখ্যান দেখলে খানিকটা হতাশই হতে হবে। ভারতে এখনও ১০ জনের মধ্যে প্রতি ৯ জন মহিলা মনে করেন স্বামীর কথা বেদবাক্য মনে করেন। প্রায় ৬৫ শতাংশ মহিলা মনে করেন, গায়ে হাত তোলাও স্বামীর অধিকারের মধ্যে পড়ে। তিন জনের মধ্যে ২ জন পুরুষের বক্তব্য, স্বামী যখনই চাইবেন, স্ত্রীকে তখনই শারীরিক মিলনের জন্য রাজি হতে হবে। এমনকী তাঁরা এও মনে করেন, স্বামীর অনুমতি ছাড়া গর্ভনিরোধক ব্যবহার করতে পারবেন না স্ত্রী-রা।
এই যদি সামগ্রিক চিত্র হয়, তবে যেমনটা হওয়ার তেমনই হচ্ছে। বৈবাহিক ধর্ষণের মাত্র এক শতাংশ অভিযোগ থানায় এসে জমা পড়ে। তার মধ্যে অনেকেরই কোনও শাস্তি হয় না। ফলে অন্ধকারের চিত্রটা আরও কালো হচ্ছে প্রতিদিন।
জানি না এসব কবে বন্ধ হবে!
Comments
Post a Comment